চলতি গীত ডেস্ক: সময়টা ১৯৮৩ সালের শেষ দিক। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এলেন এক তরুণ। পকেটে মাত্র ৬০০ টাকা, কিন্তু মাথায় বড় স্বপ্ন—গান আর গিটার নিয়েই কিছু একটা করবেন।
তরুণটির নাম আইয়ুব বাচ্চু।
ঢাকায় এসে উঠেছিলেন এলিফ্যান্ট রোডের একটি হোটেলে। মজার ব্যাপার হলো, সে সময় ঢাকায় তাঁর অনেক আত্মীয়স্বজন ছিলেন। কিন্তু আইয়ুব বাচ্চু নিজেই পরে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি কারও কাছে যাননি, বিপদেও কারও মুখাপেক্ষী হননি। নিজের পথ নিজেই তৈরি করতে চেয়েছিলেন।
অর্থের টানাটানি ছিল। দ্য ডেইলি স্টারের একটি স্মৃতিচারণে বলা হয়েছে, এলিফ্যান্ট রোডের হোটেলে থাকার সময় ছোটখাটো অনুষ্ঠানে বাজিয়ে তিনি নিজের খরচ চালাতেন।
পরে সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে ৬০০ টাকাকেই আইয়ুব বাচ্চু তুলনা করেছিলেন ৬ কোটি টাকার সঙ্গে। কারণ তাঁর সামনে তখন অনেক পথ থাকলেও তিনি বেছে নিয়েছিলেন সংগীতকে। দিনরাত কাজ আর গিটারের সাধনাই ছিল তাঁর ভরসা।
সেই ৬০০ টাকা নিয়ে এলিফ্যান্ট রোডের হোটেলে ওঠা তরুণই পরবর্তী সময়ে হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের সবচেয়ে পরিচিত মুখগুলোর একজন।
আর তাঁর স্বপ্নটা শুধু নিজে বড় শিল্পী হওয়া ছিল না। তিনি বলেছিলেন, তাঁর স্বপ্ন—বাংলা গান পৃথিবীর বুকে উজ্জ্বল হয়ে দাঁড়াবে।